সমবেগ,অসমবেগ, দ্রুতি,আপেক্ষিক গতি, প্রাস কাকে বলে ?

প্রসঙ্গ কাঠামো কাকে বলে?

উত্তর:– যে দৃঢ় বস্তুর সাপেক্ষে কোন স্থানে অন্য কোন বিন্দু বা বস্তুর অবস্থান সুনির্দিষ্ট করা হয় তাকে প্রসঙ্গ কাঠামো বলে।

জড় প্রসঙ্গ কাঠামো কাকে বলে?

উত্তর:-পরস্পরের সাপেক্ষে ধ্রুব বেগে গতিশীল যেসব প্রসঙ্গ কাঠামোতে নিউটনের গতিসুত্র অর্জন করা যায় তাকে তাদের কে জড় প্রসঙ্গ কাঠামো বলে।

অজড় প্রসঙ্গ কাঠামো কাকে বলে?

উত্তর:- যে সকল প্রসঙ্গ কাঠামো পরস্পরের সাপেক্ষে অসমবেগে গতিশীল তাদেরকে অজড় প্রসঙ্গ কাঠামো বলে। উদাহরণ- লিফট,রকেট, কৃত্রিম উপগ্রহ ইত্যাদি, কেননা এরা অসমবেগে চলে।

আপেক্ষিক গতি কাকে বলে?

উত্তর:- দুটি চলমান বস্তুর একটির সাপেক্ষে অপরটির গতিকে আপেক্ষিক গতি বলে।

দ্রুতি কাকে বলে?

উত্তর:- কোন বস্তু একক সময়ে যে দুরত্ব অতিক্রম করে তাকে তাকে দ্রুতি বলে। দ্রুতি একটি স্কেলার রাশি এর কোন দিক নাই কারণ এরা যেকোন দিকে যেতে পারে। দ্রুতি ও বেগের মাত্রা ও একক একই।

সমবেগ কাকে বলে?

উত্তর:- কোন বস্তু যদি কোন নির্দিষ্ট দিকে সমান সময়ে পথ অতিক্রম করে তাহলে বস্তুর বেগকে সমবেগ বলে। উদাহরণ- শব্দের বেগ ,আলোর বেগ ইত্যাদি কেননা, শব্দ 0’C তাপমাত্রায় বায়ুতে প্রতি সেকেন্ডে ৩৩২ মিটার পথ অতিক্রম করে, দ্বিতীয় সেকেন্ডে ৩৩২ মিটার পথ অতিক্রম করে। শব্দের মান ও দিক একই থাকায় শব্দের বেগ ৩৩২ মিটার/সে. হলো সমবেগ।

অসমবেগ কাকে বলে?

উত্তর:- কোন বস্তুর গতিকালে যদি তার মান ও দিক উভয়ই পরিবর্তিত হয় তাহলে সেই বেগকে অসমবেগ বলে। যেমন: যানবাহনের গতি।

সুষম ত্বরণ কাকে বলে?

উত্তর:- কোন বস্তুর বেগ যদি কোন নির্দিষ্ট দিকে একই হারে পরিবর্তিত হতে থাকে তাহলে সেই ত্বরণকে সমত্বরণ বলে। উদাহরণ: অভিকর্ষজ ত্বরণ একটি সুষম ত্বরণের উদাহরণ।

অসমত্বরণ কাকে বলে?

উত্তর:- যদি কোন বস্তুর বেগ পরিবর্তনের হার সমান না থাকে তাহলে সেই ত্বরণকে অসম ত্বরণ বলে। আমরা সচরাচর যেসব গতিশীল বস্তু দেখি তাদের ত্বরণই অসম ত্বরণ।

বৃষ্টির মধ্যে ছাতা মাথায় হাঁটলে ছাতা হেলিয়ে ধরতে হয় কেন ?

উত্তর:- যখন কোন ব্যক্তি বৃষ্টির মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকে বৃষ্টি খাড়াভাবে তার গায়ে পড়বে, ফলে বৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে হলে তাকে মাথার উপর ছাতা খাড়াভাবে ধরতে হবে তাহলে বৃষ্টি থেকে রক্ষা পাবে। কিন্ত ব্যক্তি যদি চলা শুরু করেন তখন তার সাপেক্ষে বৃষ্টির আপেক্ষিক বেগ আর খাড়া নিচের দিক থাকবেনা। তিনি দেখতে পাবেন বৃষ্টি উলম্বের সাথে কোন করে তীর্যকভাবে সামনের দিক থেকে আসছে। ফলে তাকে বৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে হলে তাকে উলম্বের সাথে কোন করে সামনের দিকে ছাতা ধরতে হবে। তিনি যত দ্রুত হাঁটবেন, বৃষ্টির আপেক্ষিক বেগ উলম্বের সাথে তত বেশি কোন উৎপন্ন করবে। ফলে ছাতাকে তত বেশি কোনে হেলিয়ে ধরতে হবে।

প্রাস কাকে বলে?

উত্তর:- কোন বস্তুকে অনুভুমিকের সাথে তীর্যকভাবে কোন স্থানে নিক্ষেপ করা হলে তাকে প্রক্ষেপক বা প্রাস বলে। সমত্বরণে বক্রগতির একটি চমৎকার উদাহরন হলো নিক্ষিপ্ত বস্তু তথা প্রক্ষেপক বা প্রাসের গতি। তীর্যকভাবে নিক্ষিপ্ত ঢিল, বুলেটের গতি ইত্যাদি প্রাস গতির উদাহরণ।

অনুভুমিক পাল্লা ( Horizontal Range) কাকে বলে?

উত্তর:- নিক্ষিপ্ত বস্তুটি বা প্রাসটি আদি উচ্চতায় ফিরে আসতে যে অনুভমিক দুরত্ব অতিক্রম তরে তাকে অনুভুমিক পাল্লা বলে।

কৌনিক ত্বরণ কাকে বলে?

উত্তর: সময় ব্যবধান শুন্যের কাছাকাছি হলে সময়ের সাথে বস্তুর কৌনিক বেগের পরিবর্তনের হারকে কৌনিক ত্বরণ বলে।

কৌনিক বেগ কাকে বলে?

উত্তর: কোনো বিন্দু বা অক্ষকে কেন্দ্র করে বৃত্তাকার পথে চলমান কোনো বস্তুর সময়ের সাথে কৌনিক সরণের হারকে কৌনিক বেগ বলে।

কেন্দ্রমুখী ত্বরণ কাকে বলে?

উত্তর: বৃত্তাকার পথে চলমান কোন বস্তুর সময়ের সাথে বৃত্তের ব্যাসার্ধ বরাবর এবং বৃত্তের কেন্দ্রের দিকে বেগের পরিবর্তনের হারকে কেন্দ্রমুখী ত্বরণ বলে।

Check Also

মহাকর্ষ বল ও অভিকর্ষ কাকে বলে ?

বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্যার আইজাক নিউটন আবিষ্কার করেন যে, এই মহাবিশ্বের মধ্যে যেকোন দুটি বস্তুর মধ্যে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.